মঙ্গলবার, ০৭ Jul ২০২৬, ১০:৩৭ অপরাহ্ন

বঙ্গবন্ধু মহাসড়কের কাজে কর্মকর্তাদের গাফিলতি

নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : করোনা ভাইরাস, ভূমি অধিগ্রহণে জটিলতা ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের গাফিলতির কারণে বঙ্গবন্ধু মহাসড়ক নিমার্ণের কাজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ হওয়া নিয়ে সংশয় ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। একনেক সভায় সড়কটির নির্মাণ ব্যয় ৫ হাজার ৯শ কোটি টাকা পাস হয়। ভূমি অধিগ্রহণসহ প্রতি কিলোমিটারে নির্মাণ ব্যয় ৮৪ কোটি টাকা।

টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্র জানায়, জয়দেবপুর-চন্দ্রা-টাঙ্গাইল-এলেঙ্গা পর্যন্ত ৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ মহাসড়কটি ১৩টি আন্ডারপাস ও ৭টি ফ্লাইওভার রয়েছে। সড়কটি প্রথমে চার লেনে উন্নীত করার কথা থাকলেও পরে ছয় লেনের কাজের অণুমোদন দেওয়া হয়। সড়কটিতে চার প্যাকেজে নির্মাণ কাজ হচ্ছে। প্রতিটি প্যাকেজের জন্য আলাদা আলাদা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

মহাসড়কের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই শিল্পাঞ্চলে দেখা যায়, ভূমি জটিলতার কারণে ফ্লাইওভার নির্মাণ কাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। গোড়াই-সখিপুর সড়কের যানবাহন গোড়াই এলাকা হয়ে মহাসড়কে চলাচল করছে। যানজট নিরসনে গোড়াই হাইওয়ে থানা পুলিশ নিজ উদ্যোগে একাধিকবার ইট ফেলে গর্ত ভরাট করেছেন।

স্থানীয়রা জানান, মহাসড়কের পাশ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়। বৃষ্টির পানিতে মহাসড়কে গর্তগুলো ভরে যায়। যারফলে সহজেই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

প্রকল্পের ব্যবস্থাপক অমিত চক্রবর্তী জানান, করোনা কারণে মহাসড়কের কাজ বন্ধ ছিল। গত ১০ জুন থেকে আবার কাজ শুরু হয়েছে। ৮৩ ভাগ কাজ সমপন্ন হয়েছে। গোড়াই ফ্লাইওভারের কাজ ভূমি অধিগ্রহণের জটিলতায় বন্ধ রয়েছে। এছাড়া বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড রাস্তার পাশে বিদ্যুতের খুটি না সরানোর কারণে নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ হওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

নগরকন্ঠ.কম/এআর

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com